ব্যস্ত মানুষের জন্য অজানা দৈনন্দিন স্বাস্থ্য টিপস

ব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস সর্ম্পকে আপনি জানতে আগ্রহী? আমার লেখনীর উদ্দেশ্য হলো ব্যস্ত মানুষ গুলো কিভাবে তাদের স্বাস্থ্য টিপস সম্পর্কে অবগত হবেন।

ব্যস্ত-মানুষের-জন্য-স্বাস্থ্য-টিপসআমাদের সমাজের বেশিরভাগ মানুষ এতটাই ব্যস্ত যে, তারা তাদের স্বাস্থ্য রক্ষণাবেক্ষণের কৌশল সম্পর্কে অবগত হওয়ার সুযোগ পায় না। আজ এখানে ব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

পোস্ট সুচী পত্রঃ ব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস

ব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস সর্ম্পকে কেন জানবেন

প্রতিটি কর্মব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ থাকতে হলে কেমন জটিল কিছু করতে হয় না। অথবা করার প্রয়োজন হয় না। কিছু কিছু বিষয় একটু খেয়াল করে চললেই ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকা সম্ভব হয়। ব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস গুলো হলো--প্রতিদিন প্রয়োজন পরিমাণ পানি পান করা, নিয়মিত হাটাহাটির অভ্যাস করা, শরীরচর্চা ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তোলা, হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশ্রণ করে খাওয়া ইত্যাদি। এই সকল ছোট ছোট অভ্যাস গুলি আপনাকে সুস্থ রাখবে। বিশেষ করে অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকার সময়, কাজের ফাঁকে ফাঁকে চেয়ার ছেড়ে একটু হাঁটা বা স্ট্রেচিং করলে শরীর ফিট থাকে। 


অনেকেই কাজের অজুহাতে এগুলো বাদ দেন, ফলে শরীরে ক্রান্তীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। একটি কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, শরীর যদি ঠিক থাকলে, মনও ঠিক থাকবে। আর যখন মন ঠিক থাকবে, তখন পৃথিবীর প্রতিটি কাজ সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিতভাবে হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। মনের প্রফুল্লতা প্রতিটি কাজকে সুন্দরভাবে করার মানসিকতা তৈরি করে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে দুই হাত সাবান দিয়ে ধোয়া জরুরী। এটা ইসলাম ধর্মীয় মোতাবেত সকালের এই হাত ধোয়া মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সুন্নাত। সব কথার শেষ কথা হল-- আপনাকে সুস্থ থাকতে হলে স্বাস্থ্য টিপস গুলো জানতে হবে।

সময়ের অভাবে দৈনন্দিন স্বাস্থ্য বজায় রাখার উপায়

বর্তমান যুগে প্রতিটি মানুষ কর্মব্যস্ততা নিয়ে এত ব্যস্ত থাকে যে, স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দেওয়ার সময় থাকে না। তবে সময় না থাকলেও স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া সম্ভব। যাদের সময় একেবারেই কম, তাদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যরক্ষার কৌশল গুলো খুবই সহজ। শুধুমাত্র একটু মনোযোগী হওয়া দরকার। যেমন-- লিফট এর পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করা, টিফিনে ফল খাওয়া, যেহেতু সময় কম জীমে যাওয়া সম্ভব হয় না, ফলে বাড়িতে ১০ মিনিট ইয়াগো অথবা মেডিটেশন করতে পারেন। তবে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য জরুরী বিষয় হলো-পরিমাণ মতো ঘুম এবং সময়মতো খাবার গ্রহণ। এই সকল ছোট ছোট অজানা টিপস গুলো খেয়াল করে মেনে চললেই সময়ের স্বল্পতার মধ্যেই স্বাস্থ্য বজায় রাখা সম্ভব। 

অফিসের কাজের ফাঁকে সুস্থ থাকার অজানা টিপস

যেহেতু অফিসে আমাদেরকে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়। কিন্তু একটানা অফিসের কাজ করা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। এজন্য অফিসের কাজের ফাঁকে ছোট ছোট স্বাস্থ্য টিপস মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন। যেমন কম্পিউটারে একটানা কাজ করার ফাঁকে চোখকে আরাম দিতে হবে। অর্থাৎ কিছু সময় চোখ বন্ধ রাখুন অথবা প্রাকৃতিক দৃশ্যের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকুন। একটানা বসে না থেকে প্রতি এক ঘন্টা পর পর একটু হাঁটাহাঁটি করুন। কিংবা ডেস্কে হাত-পা স্ট্রেচিং করা অনেক উপকারী। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস হল--অফিসের কাজের সময় নিয়মিত পানি পান করতে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য মোবাইলে অ্যালার্ম সেট করা যেতে পারে। অফিসের কাজের ফাঁকে ফাঁকে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারে। এর ফলে শরীরকে হালকা রাখে এবং কাজে মনোযোগ বাড়ায়।

 
অনেকেই আবার দুপুরের খাবার বাদ দিয়ে অফিসের কাজ চালিয়ে যান, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দুপুরের খাবারের সময়সূচি ঠিক রাখতে হবে। এজন্য প্রথমেই অফিসে গিয়ে যে কাজটি করতে হবে সেটা হলো সারাদিনের অফিসের কাজের রুটিন তৈরি করা। এবং অফিসের কাজের ফাঁকে ফাঁকে ছোট ছোট যে সমস্ত স্বাস্থ্য টিপস গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো, সেগুলো রুটিনের মধ্যে কৌশলে সাজিয়ে নেওয়া। সুতরাং বলা যায় যে, এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে পালন করলেই অফিসে বসেই শরীর মনকে সাথে রাখা সম্ভব হবে।

ব্যস্ত মানুষের জন্য সকালের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

যার সকাল শুরু হবে সুন্দরভাবে, তার পুরো দিনের কার্যক্রম সম্পাদিত হবে সুন্দরভাবে। এজন্য ব্যস্ত মানুষের জন্য সকাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সকালের সময়টুকু সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে না পারলে তার সারাদিনের সকল কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করা কঠিন হবে। কেননা শরীর স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে, কোন কাজই ভালো করে করা সম্ভব হয় না। এজন্য ব্যস্ত মানুষের জন্য সকালের কিছু স্বাস্থ্য টিপস গুলো হল--সকাল সকালেই ঘুম থেকে উঠতে হবে। ঘুম থেকে উঠেই যে কাজটি করতে হবে সেটা হল দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত সাবান দিয়ে ধৌত করা। এটা আমাদের নবীজির সুন্নত।

ব্যস্ত-মানুষের-জন্য-স্বাস্থ্য-টিপস
তারপর অন্যান্য কার্যক্রম গুলো আরম্ভ করতে হবে। তারপর বাথরুমে গিয়ে রিফ্রেশ করতে হবে।সকালের হাঁটাহাঁটি, হালকা ব্যায়াম, মেডিটেশন, কিংবা শুধু পাঁচ মিনিট শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করলেই দিনটি সুন্দর কাটবে। যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন সকালে অন্তত এক গ্লাস গরম পানি লেবুর রস মিশ্রণ করে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এটা আপনার শরীরকে যথেষ্ট হালকা করবে এবং এনার্জি দিবে। অনেকেই সময়ের অভাবে সকালের নাস্তা গ্রহণ করেন না , যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অজানা হলেও সত্যি--সকালে নাস্তা না করলে দিনের বাকি সময়ে কাজের মনোযোগ কমে যায় এবং শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই যত ব্যস্তই হোন না কেন, সকালের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন।

খাবারের মাধ্যমে ব্যস্ত জীবনে ফিট থাকার উপায়

খাবারের অভ্যাসই সুস্থ থাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেননা খাদ্যাভাস সঠিক নয়, তার পক্ষে সুস্থ থাকা খুবই কঠিন। কর্মব্যস্ততার যুগে বেশিরভাগ মানুষ ফাস্টফুড বা জাঙ্ক ফুড খেয়ে থাকে, যা দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতিকর। অথচ এর পরিবর্তে সহজে বহনযোগ্য স্বাস্থ্যকর খাবার আছে, যেমন বাদাম, ফল, দই বা সালাদ ইত্যাদি রাখা যেতে পারে। অথবা বাড়ি থেকে দুপুরের খাবার সঙ্গে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে এগুলো যেমন স্বাস্থ্যকর অপরদিকে খরচও কম হয়। আর দোকানের এই ফাস্টফুড যেমন ক্ষতিকর তেমনি ব্যয়বহুল। খাবারের মধ্যে প্রোটিন, শাকসবজি এবং পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। আরো একটি অজানা টিপস হলো--খাবারের প্লেট যত রঙিন সবজি বা ফল হবে, শরীর তত সুস্থ থাকবে। যত ব্যস্তই থাকুন না কেন খাবারের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন হোন।

কম সময়েও মানসিক চাপ কমানোর স্বাস্থ্য টিপস

কর্মব্যস্ত জীবনে মানসিক চাপ একটি বড় সমস্যা। এজন্য মানসিক চাপ কমানোর জন্য কিছু কার্যকরী টিপস অনুসরণ করলেই অনেকটা কমানো সম্ভব। অজানা কিন্তু কার্যকর টিপস হলো --দিনে কয়েক মিনিট নিজের শ্বাসের দিকে মনোযোগ দেওয়া বা চোখ বন্ধ করে বসা। এটি মনকে শান্ত করে। অফিসে কাজের চাপ বেড়ে গেলে ডেস্কে বসেই ছোট্ট মেডিটেশন করলে মনোযোগ ফিরে আসবে। একটু অবসর বের করে প্রাকৃতিক নির্জন পরিবেশে কিছু সময় অবস্থান করাও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। ধর্মীয় কিছু আমল করা যেতে পারে, যেমন নামাজ, জিকির, কোরআন তেলাওয়াত, কিছু সময় আল্লাহ পাকের ধ্যান করা ইত্যাদি। এগুলো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। মানসিক চাপের সঙ্গে শারীরিক স্বাস্থ্যের একটি সম্পর্ক রয়েছে। তাই মানুষের চাপ যত কমিয়ে আনা যায় ততই শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

ব্যস্ত মানুষের জন্য ঘুমের স্বাস্থ্য টিপস

একটি মেশিন একটানা ব্যবহার করে তাহলে সেটা নষ্ট হয়ে যাবে। সে মেশিনটাকেও একটু বিশ্রাম দিতে হয়। ঠিক তদুনুরুপভাবে মানুষের শরীর একটা মেশিন। একটা প্রাণহীন যন্ত্রকে বিশ্রাম না দিলে যদি নষ্ট হয়ে যায়। তাহলে তো জীবন্ত মানুষের বেলায় তো কথাই নাই। তাকে অবশ্যই বিশ্রাম নিতে হবে। একজন জীবন্ত মানুষের পরিপূর্ণ বিশ্রাম হলো ঘুম। ঘুমের কোন বিকল্প নাই। ঘুমের অভাব শুধু শরীরেরই ক্ষতি করে না; বরং মনের জন্য ক্ষতিকর। একজন সুস্থ্য মানুষের জন্য ৬ হতে ৭ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। ব্যস্ত মানুষেরা প্রায়ই রাত জাগেন, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এজন্য ঘুমানোর অন্তত এক ঘন্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ বন্ধ করা এবং ঘরকে অন্ধকার রাখা। নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানো এবং জাগ্রত হওয়া শরীরের মেশিনকে সঠিক রাখে। তবে ঘুমানোর আগে হালকা ব্যায়াম করা ভালো। ফলে গভীর ঘুম হয়। তবে ঘুমানোর সময় মনে মনে জিকির করলে তাড়াতাড়ি ঘুম আসবে। এটা আমার বাস্তব পরীক্ষিত। যত ব্যস্তই থাকুন না কেন স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলে প্রয়োজনীয় ঘুম অবশ্যই দরকার।

ব্যস্ত-মানুষের-জন্য-স্বাস্থ্য-টিপস

অফিস শেষে শরীর চাঙ্গা রাখার অজানা স্বাস্থ্য টিপস

অনেকেই অফিস শেষ করে বাড়ি ফিরে একেবারেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। আবার অনেকেই অফিস শেষে বাড়ি ফিরে ভারী খাবার খেয়ে ফেলেন। এতে শরীর আরো ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এজন্য কিছু কিছু স্বাস্থ্য টিপস মেনে চলা প্রয়োজন। যেমন--অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে হেটে আসার অভ্যাস করা। অথবা বাড়ি এসে দশ মিনিটের স্টেচিং করা। এগুলো শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করবে। অফিস থেকে বাড়ি ফিরেই আমরা প্রথমেই বাথরুমে গিয়ে নিজেকে রিফ্রেশ করবো। এরপর হালকা স্যুপ, ফল বা সালাদ খাওয়া ভালো। অফিস শেষে পরিবার পরিজনদের সাথে সময় কাটানো মানসিকভাবে রিল্যাক্স করে। অবসরে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো নবীজির সুন্নাহ। এই সকল ছোট অভ্যাস গুলো আপনাকে দিনের পর দিন এনার্জি পুনরুদ্ধারের সাহায্য করবে।

প্রতিদিনের যাতায়াতে শরীর চর্চার স্বাস্থ্য টিপস

অনেকেই অফিসে যাতায়াতের সময়টুকুকে নষ্ট সময় মনে করেন। প্রকৃতপক্ষে এটি ব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস। এটিই শরীরচর্চা করার সুবর্ণ সুযোগ। গাড়ি বা বাসস্ট্যান্ড থেকে বাড়ি পর্যন্ত হেঁটে আসা, লিফট এর পরিবর্তে সিড়ি ব্যবহার করা বা অফিসে হেঁটে যাওয়া। অনেকেই এই সুযোগটিকে অবহেলা করেন, অথচ প্রতিদিনের এই ছোট শারীরিক কার্যকলাপ স্বাস্থ্য কে অনেক বেশি উন্নত করতে পারে। যাতায়াতের সময় শরীরচর্চায় অভ্যাস গড়ে তুললে আলাদা করে ব্যায়ামের সময় না পেলেও সুস্থ থাকা সম্ভব হয়।

ব্যস্ত জীবনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর টিপস

ব্যস্ত জীবনের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর টিপস গুলো জানা সবারই একান্ত প্রয়োজন। কেননা এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুস্থ জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ব্যস্ত জীবনকে আরো শক্তিশালী করতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। এইজন্য ব্যস্ত মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস গুলো জানা প্রয়োজন। টিপস গুলো হলো -- প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে, ফলমূল্  ও শাকসবজি খেতে হবে, এবং নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে। সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠেই হাঁটাহাঁটি অথবা হালকা দৌড়ানোর অভ্যাস করতে হবে, কমপক্ষে ৬ হতে ৮ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। ভিটামিন সি যুক্ত এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবারগুলো খেতে হবে। রাত জাগার অভ্যাস দুর করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। ব্যস্ত মানুষের জন্য এই টিপসগুলো শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়; বরং দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ্য জীবন যাপনের নিশ্চয়তা প্রদান করে।

ব্যস্ত মানুষের জন্য স্বাস্থ্য টিপস--শেষ কথা

ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে স্বাস্থ্যকে অবহেলা করা কোনোভাবেই উচিত নয়। আমি এখানে যেসব অজানা স্বাস্থ্য টিপস শেয়ার করেছি, সেগুলো বাস্তব জীবনে সহজে করা সম্ভব এবং কারো জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সময়ের অভাব হলেও নিজের যত্ন নেওয়া সম্ভব যদি সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলা যায়। আমার পরামর্শ হলো--একসাথে সব অভ্যাস না এনে প্রতিদিন একটি করে নতুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যোগ করা। মনে রাখবে “সুস্থ দেহ ও মন হল সাফল্য ও সুখের আসল চাবিকাঠি।” তাই আজ থেকেই শুরু করুন কিছু অজানা স্বাস্থ্য টিপস এবং দেখবেন আপনার বাস্তব জীবন হয়ে উঠবে অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও সুখী। প্রিয় পাঠক আমার এই লেখনি যদি আপনার উপকারে আসে তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করব।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

নাহার অর্গানিকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url